নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন ও দুঃসময়ে যেসব ত্যাগী নেতাকর্মী রাজপথে থেকে দলের জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তাদের মতে, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়ন না হলে হাইব্রিড, সুবিধাভোগী ও বহুরূপী নেতাদের ভিড়ে প্রকৃত কর্মীরা একসময় হারিয়ে যাবেন।
গাজীপুর মহানগর তাঁতি দলের সভাপতি তাইজুল ইসলাম বেপারীকে এমনই একজন পরিচ্ছন্ন ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে উল্লেখ করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, দলের দুঃসময়ে মামলা-হামলা, নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি বিএনপির আদর্শ ও কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সাহসী ও পরীক্ষিত কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, তাইজুল ইসলাম বেপারী একজন সহজ-সরল স্বভাবের মানুষ। ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন। গাজীপুর মহানগর তাঁতি দলকে সুসংগঠিত করতে তার ভূমিকা প্রশংসিত হলেও এখনো তার মতো ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন অনেকে।
তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সুবিধাবাদী ও হাইব্রিড নেতাদের সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও নিবেদিত কর্মীদের গুরুত্ব না দিলে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তৃণমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
দলীয় নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব ও নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাইজুল ইসলাম বেপারীর মতো ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ও আদর্শিক কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। এতে দলের প্রতি নিবেদিত কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং সংগঠন আরও গতিশীল হবে।