
নিজস্ব প্রতিবেদক :বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খুব শিগগিরই কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। এ লক্ষ্যে শীর্ষ নেতৃত্ব সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, ত্যাগ ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি পর্যালোচনা করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্রের দাবি, প্রাথমিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত নেতৃত্ব কাঠামো নির্ধারণের কাজ চলছে। এ কারণে বর্তমান ও সাবেক নেতাদের পাশাপাশি ছাত্রদল থেকে উঠে আসা কয়েকজন সাবেক নেতাও শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন। কয়েকজন সম্ভাব্য নেতার সঙ্গে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কথাও হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
সূত্রগুলো আরও জানায়, সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইয়াসিন আলী, সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদরেজ জামান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি এ এ জহির উদ্দিন তুহিন এবং সাবেক মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. মামুন বিল্লাহ, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাদ মোর্শেদ পাপ্পা, বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোখতার হোসাইন, আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু এবং ছাত্রদলের সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাওয়াজ। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে মোশারেফ হোসেন মুশু, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শেখ ফরিদ আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
নতুন কমিটি প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, “আমরা আমাদের কাজ করছি। নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিদ্ধান্ত নেবেন।”
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি এবং রাজিব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ বিরাজ করছে।
Leave a Reply