
বশির আলম (গাজীপুর প্রতিনিধি):
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতি দল গাজীপুর মহানগরের সহ-সভাপতি জজ মিয়া।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস মানুষের আত্মশুদ্ধি, সংযম, ত্যাগ ও মানবসেবার এক মহিমান্বিত শিক্ষা দেয়। এই মাসে আত্মসংযম ও আধ্যাত্মিক চর্চার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে পরিশুদ্ধ করার সুযোগ পায় এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রেরণা লাভ করে।
তিনি আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতার দিকনির্দেশনা দেয়। রমজানের চেতনা ধারণ করে সমাজের গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।
জজ মিয়া বলেন, ধর্মীয় আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা যদি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই যখন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে, তখনই ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায়।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় রমজান ও ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং এটি সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যাকাত, ফিতরা ও বিভিন্ন দান-খয়রাতের মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটে, যা একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় তিনি দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ ও রাষ্ট্র গঠনে গাজীপুর মহানগর তাঁতি দলের সভাপতি তাইজুল ইসলাম বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক তাইজুদ্দিন তাজুর নেতৃত্বে মহানগর তাঁতি দলের নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জজ মিয়া গাজীপুর মহানগর এলাকার সকল নাগরিকের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতা বজায় রেখে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঈদের পবিত্র বার্তা মানুষের হৃদয়ে মানবতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে আরও দৃঢ় করবে এবং সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
Leave a Reply