
বশির আলম (গাজীপুর প্রতিনিধি):
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস মানুষের আত্মশুদ্ধি, সংযম, ত্যাগ ও মানবসেবার এক মহিমান্বিত শিক্ষা দেয়। এই মাসে আত্মসংযম ও আধ্যাত্মিক চর্চার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে পরিশুদ্ধ করার সুযোগ পায় এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রেরণা লাভ করে। তিনি উল্লেখ করেন, রমজানের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত জীবনে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় আবেগ ও ঈদের চেতনা আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করে। সমাজের গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে রমজানের প্রকৃত শিক্ষা এবং এটি প্রতিটি সামর্থ্যবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। ধর্মীয় মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত হয়ে সবাই যদি মানবতার কল্যাণে কাজ করে, তবে ঈদের আনন্দ সত্যিকার অর্থেই সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।
সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রমজান ও ঈদ কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং এটি সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যাকাত, ফিতরা ও দান-খয়রাতের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটে, যা একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতীয়তাবাদী বিএনপির আদর্শ মানবতা, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই আদর্শকে ধারণ করে সকল নেতাকর্মীকে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ গঠনে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক গাজীপুর-২ আসনের এমপি এম মঞ্জরুল করিম রনির নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শেষে তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গাজীপুর মহানগরের সকল নাগরিকের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং সবাইকে ভ্রাতৃত্ব, সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার বন্ধন অটুট রেখে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঈদের এই পবিত্র বার্তা মানুষের হৃদয়ে মানবতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
Leave a Reply