1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. admin@dailyjonotarkantho.com : dailyjonotarkantho :
টঙ্গীর খরতৈলে মাদক নেটওয়ার্ক’  হেরোইনসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী  মাসুদ  গ্রেফতার, পেছনে কারা? - dailyjonotarkantho
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টঙ্গীর খরতৈলে মাদক নেটওয়ার্ক’  হেরোইনসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী  মাসুদ  গ্রেফতার, পেছনে কারা? মেঘডুবি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর থামিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ: টঙ্গীতে নূরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবি জোরালো বাংলা নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে ৭নং ওয়ার্ডে গণসংযোগে মেম্বার প্রার্থী মোঃ জুয়েল মাল চার হাজার এসআই নিয়োগে  বিভাগীয় পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ পূবাইলে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু দুই সত্নান আহত পূবাইলে ডেইলি শপিং’ নতুন আউটলেট শাখার শুভ উদ্বোধন টঙ্গীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ পাওনা টাকা লেনদেনে নারীসহ একই পরিবারের ৫ জন আহত, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ সংরক্ষিত নারী আসন: গাজীপুরে আলোচনার কেন্দ্রে বীনা চৌধুরী

টঙ্গীর খরতৈলে মাদক নেটওয়ার্ক’  হেরোইনসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী  মাসুদ  গ্রেফতার, পেছনে কারা?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭৭ Time View

বশির আলম ( প্রতিনিধি, গাজীপুর)  গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি সংগঠিত মাদক চক্রের আভাস মিলেছে শনিবার ১৮ এপ্রিল এক অভিযানে, ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ দুই যুবককে গ্রেফতারের ঘটনাটি এখন শুধুই একটি নিয়মিত মামলা নয়—বরং এটি বৃহত্তর মাদক সিন্ডিকেটের “আইসবার্গের চূড়া” বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

টঙ্গীর খরতৈল এলাকার একটি সরু গলিতে, একটি বহুতল ভবনের সামনে পরিচালিত হয় পুলিশের যৌথ অভিযান। অভিযানে আটক হন আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (২৪) ও মোঃ চঞ্চল (২৯)। উদ্ধার করা হয় ২৬ গ্রাম হেরোইন—যার বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ছোট মাছ, না বড় চক্রের অংশ?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, গ্রেফতারকৃতরা মূলত মাঠপর্যায়ের সরবরাহকারী (ডিলার)। তারা নিজেরা বড় খেলোয়াড় না হলেও একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ। প্রশ্ন উঠছে—
এই মাদক আসে কোথা থেকে? কারা নিয়ন্ত্রণ করে এই চক্র?
স্থানীয়দের অভিযোগ, খরতৈল ও আশপাশের এলাকায় রাত হলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে মাদক ব্যবসায়ীরা। অচেনা লোকজনের আনাগোনা, সন্দেহজনক লেনদেন—সবই ছিল প্রকাশ্য, কিন্তু কার্যকর অভিযান ছিল না নিয়মিত।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা থাকার তথ্য মিলছে। তবে কতগুলো মামলা, কোন ধরনের অপরাধ—এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এরা পুরনো খেলোয়াড়। আগেও ধরা পড়েছে, আবার বের হয়ে একই কাজে জড়িয়েছে।”
এতে প্রশ্ন উঠছে—
বারবার গ্রেফতারের পরও কীভাবে তারা একই অপরাধে ফিরে আসে? আইনি ফাঁকফোকর, নাকি প্রভাবশালী কারও ছত্রছায়া?
মামলাটি দায়ের করা হয়েছে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ৮(গ)/৪১ ধারায়। এই ধারায় কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে জামিনে বের হয়ে আসামিরা আবার একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে—এমন অভিযোগ রয়েছে।তদন্তের দুর্বলতা
সাক্ষীর অনুপস্থিতি প্রভাবশালী মহলের চাপ
—এসব কারণে অনেক মামলাই শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।

খরতৈল এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“এখানে মাদক ব্যবসা নতুন কিছু না। পুলিশ মাঝে মাঝে অভিযান চালায়, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হয় না। বড় মাথাদের ধরা না হলে এই সমস্যা কখনো শেষ হবে না।”
পুলিশের অবস্থান
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে এবং এই ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মূল প্রশ্নগুলো এখনো রয়ে গেছে:
এই মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা কারা?
কারা দিচ্ছে তাদের নিরাপত্তা বা আশ্রয়?
কেন বারবার একই অপরাধীরা আইনের ফাঁক গলে বের হয়ে আসছে?

টঙ্গীর খরতৈলে এই গ্রেফতার যেন একটি বড় সমস্যার ক্ষুদ্র অংশমাত্র। মাদকবিরোধী অভিযান তখনই কার্যকর হবে, যখন শুধু মাঠপর্যায়ের ডিলার নয়—বরং পুরো নেটওয়ার্ক, অর্থের উৎস এবং প্রভাবশালী আশ্রয়দাতাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
Themes By ShimantoIT.com