
নিজস্ব প্রতিবেদক :খুলনার রূপসা থানার নৈহাটী এলাকায় বসবাসরত ধর্মীয় শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
গত ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে “দৈনিক জনতার কন্ঠ” অনলাইনসহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় “রূপসায় ধর্মীয় শিক্ষকের মুখোশধারী তাণ্ডব: ভাই ও পরিবারের উপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবাদে বলা হয়, উক্ত সংবাদে খালিদ সাইফুল্লাহ, তার পরিবারবর্গ এবং স্থানীয় কয়েকজন সম্মানিত ব্যক্তির নাম জড়িয়ে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সাথে কোনোভাবেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। পরিবার সূত্রে দাবি করা হয়, খালিদ সাইফুল্লাহর আপন ভাই মোঃ মাসুম বিল্লাহ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল ও পারিবারিক বিরোধ উস্কে দিতে সাংবাদিকদের কাছে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য সরবরাহ করে সংবাদ প্রকাশে ভূমিকা রাখছেন।
প্রতিবাদকারীরা বলেন, আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয় নিয়ে একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং তা আদালত অবমাননার শামিল। কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়া এবং অপর পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ না করে এ ধরনের সংবাদ প্রচার দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্মীয় শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহ, তার মা সাহারা ভানু, স্ত্রী খুরশিদ জাহান লিজা এবং বোন ফাতেমা খাতুন, রহিমা খাতুন, রাবেয়া বেগম ও মারিয়া খাতুনসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে “দৈনিক জনতার কন্ঠ” পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
উল্লেখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দায়িত্বশীলতার সাথে বিবেচনা করে শিক্ষকের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংবাদের প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেছে এবং এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
প্রতিবাদকারীরা সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান, ভবিষ্যতে যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করে উভয় পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করার জন্য।
—প্রতিবাদকারী পরিবার
Leave a Reply