
স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর:
গাজীপুরের কালীগঞ্জে বায়না করা জমি রেজিস্ট্রি নিতে গেলে এক প্রবাসীকে অপহরণ মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া নামের ওই প্রবাসী বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার নিয়ে টঙ্গীর আরিচপুর বৌবাজার এলাকায় বসবাস করছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে টঙ্গী স্টেশন রোডের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন জুয়েল মিয়া। তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, দীর্ঘদিন দুবাই প্রবাসে থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে কালীগঞ্জের পারাবর্তা এলাকার মিনারা বেগম গংদের কাছ থেকে পূর্বাচল ১৫ ও ২৮ নম্বর সেক্টরে দুটি প্লট ১ কোটি ৭ লাখ টাকায় বায়না দলিল করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে প্লট দুটি রেজিস্ট্রি নিতে গেলে মিনারা বেগমের ছেলে শরীফ মিয়া বাধা দেন এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। শরীফ মিয়া নিজেকে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা পরিচয় দিয়ে প্লট দুটি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করার চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
জুয়েল মিয়া আরও বলেন, “আমার বিনিয়োগকৃত টাকা আত্মসাৎ করার জন্য তারা আমাকে নানা হুমকি দিচ্ছে। এমনকি পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।”
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “কালীগঞ্জ থানার ওসি ও উপ-পরিদর্শক জামাল কেন তদন্ত ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করলেন?”
ভুক্তভোগী দাবি করেন, সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে তিনি এলাকা ছেড়ে পরিবারসহ টঙ্গীতে আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ঘটনায় জুয়েল মিয়া গাজীপুর জেলা প্রশাসক, গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, “মামলাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমাকে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।”
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ হোসেন, মাহবুব, মীম আক্তার, আসকর আলী, রাবেয়া খাতুন, মারুফ, জাহিদুল, মকবুল, তমি মিয়া, এরশাদ মিয়া, মহসিন ভূইয়া, আরিফসহ আরও অনেকে।
Leave a Reply